অটোসাজেশনের ইতিহাস

অটোসাজেশনের জনক বলা যেতে পারে ফ্রান্সের বিখ্যাত হিপনোথেরাপিস্ট ডা. এমিল কোয়েকে। তিনিই প্রথম অটোসাজেশনকে চমৎকারভাবে মনোদৈহিক রোগের চিকিৎসার কাজে নিয়োজিত করেন। তার বই ‘সেলফ মাস্টারি থ্রো অটোসাজেশন’ এক্ষেত্রে এখনও পথিকৃত হয়ে রয়েছে।
১৯১০ সালে তিনি অটোসাজেশনের মাধ্যমে রোগমুক্তির জন্যে ক্লিনিক স্থাপন করেন এবং ১৯২৬ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মাইগ্রেন, মাথা ব্যথা, বাত ব্যথা, এ্যাজমা, প্যারালাইসিস, তোতলামি, টিউমার, গ্যাস্ট্রিক আলসার, অনিদ্রা প্রতৃতি রোগে আক্রান্ত হাজার হাজার মানুষকে রোগমুক্ত করেন। তবে তিনি নিজে তাদের রোগমুক্ত করতেন না, তিনি রোগীদের নিজে নিজে রোগমুক্ত হওয়ার উপায় শিক্ষা দিতেন। আর এ উপায়টা ছিল অত্যন্ত সহজ। প্রত্যেক রোগীকে একাগ্র মনোযোগ দিয়ে একটানা বিশ বার বলতে হতো ‘ডে বাই ডে ইন এভরি ওয়ে, আই এম গেটিং বেটার এন্ড বেটার’। সকালে বিকালে দু’প্রস্থ একনাগাড়ে বিশ বার বলে যেতে হতো কিছুদিন। ব্যস, রোগ উধাও।
শুধু রোগের ক্ষেত্রেই নয়, অটোসাজেশন প্রয়োগ করে চরম সংকটজনক পরিস্থিতিতেও সমাধান মিলেছে, বিপদমুক্তি ঘটেছে- এমন নজিরও আছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে নাজি দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধরত ফরাসী প্রতিরোধ বাহিনীর সক্রিয় সদস্য রবার্ট মূলার চরম ঝুঁকিপূর্ণ মুহূর্তেও অটোসাজেশন দিয়ে নিজেকে শান্ত রেখে ঠাণ্ডা মাথায় পরিকল্পনা করে বিপদ থেকে বাঁচার এক জ্বলন্ত উদাহরণ হয়ে রয়েছেন। তার ‘মোস্ট অফ অল দে টট মি হ্যাপিনেস’ নামক স্মৃতিকথায় লিখেছেন, তিনি ১৯৪৩ সালে ‘পারিজোঁ’ ছদ্মনামে তাঁবেদার ভিকি সরকারের একটি প্রতিষ্ঠানে অনুপ্রবেশ করতে সক্ষম হন। এখানে থেকে তিনি জার্মান সৈন্য মোতায়েন ও চলাচল সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করতেন। তাকে জানানো হয় যে, গেস্টাপো বাহিনী তাকে ধরার জন্যে আসছে। তিনি তার অফিস বিল্ডিং-এর ওপরের তলায় এক কোণায় পালান। এমন সময় তিনি জানতে পারেন যে, তিনি যে এখানে আছে এ কথা জেনেই গেস্টাপো চররা ভবনে তন্ন তন্ন করে তল্লাশি চালাচ্ছে।
রবার্ট মূলার বেশ কিছুদিন ধরেই ড. এমিল কোয়ের অটোসাজেশন ও ইতিবাচক চিন্তার পদ্ধতি অনুসরণ করে আসছিলেন। এই পদ্ধতির সাথে তার পরিচয় হয় এক বন্ধুর মাধ্যমে। বন্ধু টিবিতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে শয্যাশায়ী ছিলেন। ডাক্তার সাফ বলে দিয়েছিলেন যে, তার বাঁচার কোন আশা নেই। তিনি মূলারকে কোয়ের বই আনার অনুরোধ করেন। মূলার বই এনে দেন এবং নিজেও তা পড়েন। তার বন্ধু টিবি থেকে পুরোপুরি সেরে ওঠেন। ফলে কোয়ের পদ্ধতির উপর মূলার বিশ্বাসী হয়ে ওঠেন।
এখন এই চরম বিপদ মুহূর্তে মূলার বারবার পুনরাবৃত্তি করতে থাকেন যে, ঘটনাকে একটা থ্রিলিং এডভেঞ্চার হিসেবে দেখা যেতে পারে। এরপর মূলার অনেকখানি শান্ত হন। মন শান্ত হওয়ায় তিনি অনুভব করেন যে, তিনি নাজিদের সামনে হেঁটে যাবেন এটা হবে তাদের প্রত্যাশার একেবারে বাইরে।
তিনি তার চশমা খুলে ফেললেন। চুল পানি দিয়ে একটু ভিজিয়ে মাথার সাথে লেপটিয়ে নিলেন। একটা সিগারেট ধরালেন। মূলার চেহারার আদল এভাবে একটু পরিবর্তন করতে সক্ষম হন। চেহারায় নিয়ে আসেন শান্ত নির্লিপ্ত ভাব। একটা ফাইল নিয়ে নিচে হেঁটে নেমে তিনি তার সেক্রেটারির কাছে আসেন। সেক্রেটারিকে তখন গেস্টাপো সৈন্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করছিল। তিনি ব্যাপার কি জানতে চাইলে সেক্রেটারি চোখের পলক না ফেলেই বলেন যে, এই ভদ্রলোকরা মি. পারিজোঁকে খুঁজছেন। ‘পারিজোঁ?’ তিনি বিস্মিত স্বরে উচ্চারণ করলেন! ‘আমি তো তাকে কয়েক মিনিট আগে ৫ তলায় দেখেছি।’ গেস্টাপোর লোকরা ৫ তলার দিকে ছুটে উঠতে লাগল এবং মূলারকে তার বন্ধুবান্ধবরা নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিলেন।
শুধু এমিল কোয়েই নন বাংলাদেশে ফলিত মনোবিজ্ঞানের পথিকৃত প্রফেসর এম. ইউ. আহমেদ অটোসাজেশন অন্যের ওপর প্রয়োগ করার আগেই তা প্রয়োগ করেছেন নিজের ওপর। ১৯৩৪ সালে প্যারাটাইফয়েডে আক্রান্ত হয়ে ৪ মাস মিটফোর্ড হাসপাতালে থাকার পর ডাক্তাররা তার বাঁচার আশা নেই বলে তাঁকে হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। তাকে বজরা নৌকা করে বুড়িগঙ্গা দিয়ে নদীপথে গ্রামের বাড়ি মেহেদিগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হয়। এই যাত্রাপথে নদীর নির্মল বাতাস আর প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলি তাকে জীবন সম্পর্কে এক নতুন উপলব্ধিতে উপনীত হতে সাহায্য করে। তিনি নতুন এক মন্ত্র আবিষ্কার করেন। সে মন্ত্র হচ্ছে, ‘আমাকে বাঁচতে হবে, আমি বাঁচব।’ ডাক্তার আশা ছেড়ে দিলেও এই মন্ত্র বা অটোসাজেশন বার বার উচ্চারণ করে তিনি কিছুদিনের মধ্যেই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেন।
আর এর আগে তিনি ক্লিনিক্যালি মৃত্যুবরণ করার পরও পুনরায় জীবন লাভ করেছিলেন ১৯৭৩ সালের ২৬ মার্চ ৬৪ বছর বয়সে। তিনি আগের দিন ১০৫ ডিগ্রি জ্বরে আক্রান্ত হন। সারারাত অচেতন থাকার পর ডাক্তারের পরামর্শে শেষ রাতে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইমার্জেন্সি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।
সকাল ৮টায় জ্ঞান ফিরে আসার পর হাসপাতালে নিজেকে দেখে তাঁর মনে পড়ল দু’দিন আগে এ ওয়ার্ডেই তাঁর বড় শ্যালক মারা গেছেন। আর মৃত্যুর আগে তাঁর খুব শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। হঠাৎ তিনি নিজের নাড়ি পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখলেন কোন সাড়া নেই। তাঁর বড় মেয়ে মেরীও তাই দেখল। এর পরবর্তী ঘটনা প্রফেসর এম.ইউ.আহমেদের ভাষাতেই শুনুন :
একটু পরেই ডাক্তার সাহেব এলেন এবং ঠিক তখন ভীত অবস্থায় আমার শ্বাসকষ্ট শুরু হলো। সাথে সাথে আমার শরীরটাও যেন ক্রমেই নিস্তেজ হয়ে যেতে লাগল। হঠাৎ মনে হলো এটাই আমার মৃত্যুর সময়। আমি তাই কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্যে তখন মৃত্যু কামনা করলাম।
আর আমিও যেন ক্রমান্বয়ে মৃত্যুর প্রশান্তিপূর্ণ আবরণে সমাহিত হতে থাকলাম। আমি চিৎকার করছিলাম যে, আমার শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। তাই ডাক্তার সাহেব ডান নাকে অক্সিজেন সিলিণ্ডারের পাইপ ঢুকিয়ে দিলেন কিন্তু তাতেও কষ্ট হচ্ছিল। তাই আমি ঠিক সেই মুহূর্তে মৃত্যু কামনা করলাম। সাথে সাথে আমার মাথাটা একটু উঁচু হয়ে তৎক্ষনাৎ বালিশের ওপর পড়ে গেল। এ সময় আমার গায়ের গেঞ্জিটা যেন ডাক্তার ব্লেড দিয়ে কেটে ছাড়িয়ে আনছিল। আমি বুঝতে পারছিলাম। প্রত্যেকের কথাবার্তাও শুনতে পাচ্ছিলাম, যদিও শারীরিকভাবে মৃত্যু হতে থাকায় নিজে সাড়া দিতে পারছিলাম না।
‘এ সময় প্রথম আমার হার্টবিট, পরে শ্বাস-প্রশ্বাস এবং এরপরে রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যায়। শরীর হয়ে ওঠে বরফের মত ঠাণ্ডা। ডাক্তার সাহেব আমার পায়ের নিচের দিকের রিফ্লেক্স এ্যাকশন পরীক্ষা করে কিছুটা সাড়া পাওয়ায় আমাকে ক্লিনিক্যালি মৃত জেনেও চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। তখন আমার অটোনোমিক নার্ভাস সিস্টেম এবং কেন্দ্রীয় নার্ভাস সিস্টেম নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। নিজেকে মরণের কোলে এলিয়ে দিয়েছিলাম বলে খুবই আনন্দ লাগছিল, শ্বাসকষ্টও হচ্ছিল না। এ পর্যায়ে আমি ক্লিনিক্যালি মৃত হলেও জৈবিকভাবে জীবিতই ছিলাম। তাই দেহ মরে গেলেও স্মৃতি, চিন্তা ও কোন কোন অনুভূতি সক্রিয় ছিল। তখন আমার চারপাশে নিকটজনেরা কান্নাকাটি করছে।
‘এমন অবস্থায় আমার মেয়ে মেরী হঠাৎ গুরুগম্ভীর ও মিনতিপূর্ণ কণ্ঠে নির্দেশ দিতে শুরু করে “আব্বা তোমাকে বাঁচতেই হবে, বাঁচতেই হবে।” তখন আমি আশ্চর্য শান্তির মধ্য দিয়ে নিশ্চিত মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলাম। এ সময় মেরীর মিনতিপূর্ণ গুরুগম্ভীর নির্দেশ আমাকে স্থবির করে ফেলল। ভাবতে লাগলাম, কেন বাঁচতে হবে? এবং এক সময় দৈহিক অবস্থায় মৃত থেকেই জোরেশোরেই প্রশ্নটা করলাম, ‘কেন আমাকে বাঁচতে হবে?’
এ ঘটনায় ডাক্তাররা আশ্চর্য হয়ে গেল। মেরীর নির্দেশ তখনও চলছে অবিশ্রান্ত। আমি তাই চিন্তা করতে বাধ্য হলাম যে, কেন আমাকে বাঁচতে হবে। আমার অন্তরাত্মা বেঁচে থাকার জন্যে যেন একটা গ্রহণযোগ্য সূত্র আবিষ্কার করতে চাইল। আমি ভেবে দেখলাম যে, পরিবারের লোকদের জন্যে আমার আর কোন প্রয়োজন নেই। কিন্তু হঠাৎ মনে পড়ল অসহায় মানসিক রোগীদের কথা। আমি ছাড়া এদেশে নির্ভরযোগ্য মনোচিকিৎসক নেই। এছাড়া আর একটা দায়িত্বের কথা মনে পড়ল। ভেবে দেখলাম মানসিক রোগীদের স্বার্থে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রস্তাবিত সাইকোলজিক্যাল ক্লিনিক প্রতিষ্ঠার জন্যে আমার বেঁচে থাকা প্রয়োজন। হঠাৎ বেশ কিছুটা জোরেশোরেই বলে ফেললাম, ‘আমাকে বাঁচতে হবে। ডাক্তার সাহেব আপনারা চেষ্টা করুন।’ জানি না মৃত অবস্থায় কিভাবে কথাগুলো বললাম। ডাক্তাররা এটা শুনে দ্বিগুণ উৎসাহে আমাকে বাঁচিয়ে তোলার জন্যে সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করতে লাগলেন। সাথে সাথে আমি সেই অভ্যস্ত অটোসাজেশন প্রয়োগ করতে লাগলাম :
Live long
Happy strong
ডাক্তার সাহেব এবং আমার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আস্তে আস্তে আমার অটোনোমিক নার্ভাস সিস্টেম সক্রিয় হলো। অল্পক্ষণের মধ্যেই আমার হার্টবিট, শ্বাস-প্রশ্বাস, হৃদপিণ্ডের স্পন্দন ও রক্ত সঞ্চালন শুরু হলো। প্রায় ছ ঘণ্টা মৃত অবস্থায় থাকার পর দুপুর দু’টোয় আমি পুনরায় জীবন লাভ করলাম।’
প্রফেসর এম. ইউ. আহমেদের এই পুনরায় জীবনলাভের ঘটনার বিবরণ রয়েছে তাঁর ‘যৌন রোগ চিকিৎসায় ম্যাডেস্টিক সাইকোথেরাপি’ এবং ‘লার্ন টু হিপনোটাইজ এন্ড কিউর’ গ্রন্থে। এরপর তিনি আরও প্রায় ১৬ বছর বেঁচে ছিলেন।
ব্যক্তিত্বের উন্নয়ন ও রোগমুক্তির জন্যে প্রফেসর এম. ইউ, আহমেদ তার গ্রন্থে অনেকগুলো অটোসাজেশনের উল্লেখ করেছেন।
সেগুলোর বাংলা করলে দাঁড়ায়-
১. আমি সুস্থ হব, সুখী হব।
২. আমি আশাবাদী, আত্মবিশ্বাসী, গতিশীল, স্বাধীনচেতা, বলিষ্ঠ, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং প্রাজ্ঞ।
৩. আমি দীর্ঘদিন বেঁচে থাকব, শক্তিমান হব, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হব, সুখী হব।
৪. আমি ধূমপান ঘৃণা করি, মাদকদ্রব্যকে ঘৃণা করি। শিগগিরই আমি এগুলো ছেড়ে দেব।
৫. আমি শক্তিশালী মন ও দেহের অধিকারী। জীবনে অবশ্যই সফল হব।
৬. আমি সাহসী ও শক্তিমান। নিজের জন্যে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ব।
আর তাঁর নিজের মন্ত্র ছিল, ‘লিভ লং, হ্যাপি স্ট্রং, গ্রো ইয়ং।’
অটোসাজেশনের ক্ষেত্রে মনোবিজ্ঞানীদের পরামর্শ হচ্ছে, যতদূর সম্ভব না-সূচক শব্দ ব্যবহার না করা। নেতিবাচক কথাগুলোর উল্লেখ কম করা। রোগব্যাধির উল্লেখ কম করা।
যেমন কারও হার্টের কোন অসুখ আছে। তিনি অটোসাজেশন দিতে চান। এক্ষেত্রে আমার হৃদরোগ ভাল হয়ে যাবে’ না বলে তার অটোসাজেশন হওয়া উচিত ‘আমার হৃৎপিণ্ড যথাযথভাবে কাজ করবে।’ তেমনি বহুমূত্রে আক্রান্ত রোগী ‘আমার বহুমূত্র ভাল হয়ে যাবে, না বলে বলা উচিত, ‘আমার প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয় যথাযথভাবে কাজ করবে।’ যারা অহেতুক ভয় পান, তারা ‘আমি ভয় পাব না, না বলে বলবেন ‘অমূলক ভয়ভীতি ও নেতিবাচক চিন্তা বা কথার প্রভাব থেকে নিজেকে পুরোপুরি মুক্ত রাখব।’ যারা সব কিছু ভুলে যান, তারা ‘আমি আর ভুলব না, না বলে অটোসাজেশন দেবেন, ‘আমার স্মরণশক্তি বাড়বে। আমি যা পড়ব বা শুনব তার প্রয়োজনীয় সব অংশ মনে রাখবো।’
পাশ্চাত্যে সাইকো-কেবারনেটিক্স, সিলভা মেথড, সাইনেটিক সিস্টেম, পটেনশিয়াল আনলিমিটেড, রিসার্চ ২১০০, ব্রাদার্স চার্লস সিনক্রোনসিটি, লাইট অব মাইন্ড, রোজিক্রুশিয়ান অর্ডার, সেলফ রিয়েলাইজেশন ফেলোশিপ, রিয়েলাইজেশন সিস্টেম, ডায়ানেটিকস, কনসেপ্ট থেরাপি, এডভান্স লারনিং সিস্টেম, সাবলিমিনাল টেকনিকস সহ প্রতিটি আত্ম উন্নয়ন বা মন নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে পজিটিভ অটোসাজেশন।

Site's Category: