I will use the word possibility instead of the word problem.

I will consciously refrain from saying anything that might cause conflicts or controversies.

I meditate each morning. The rest of the day I carry the mindfulness of those moments with me. My thoughts, words, decisions and actions will be correct.

Regular blood donation lessens the risk of cancer and heart disease. I will donate blood regularly and encourage others to do so.

I will decide what to eat and drink based on the nutritional requirements of my body.

I will free myself of regrets about the past and worries about the future and make the best use of the present.

I am nurturing the mindset of a manager, not a clerk.

I will be truthful, gentle and diplomatic.

When a problem arises instead of being anxious I will let it unfold naturally. Then the possibility hidden in the problem will reveal itself to me.

Silent and secret charity is the best kind of charity. I will use the Charity Bank for donating silently and secretly.

I was born to do something great. I will achieve greatness with unshakable faith and tireless effort.

I will always greet others with a smile. I will address everyone with proper respect.

Every task seems impossible at first. I will start my work with faith. One step will lead to the next.

In matters of obedience and accountability I will follow the official hierarchy.

Everyday I find spontaneous solution to every problem through proactive steps.

Doubt is the first step towards the loss of faith. My faith is free from doubt and confusion.

When I visit someone I don't take too much of their time. I never cause inconvenience to them or hamper their work.

A 'me first' attitude turns life into a tiring burden. Empathy and service bring joy and vibrancy to life. I will choose the path of service.

I will never make false promises. I will tactfully avoid arguments and controversies.

During group meditation our minds merge into one.
Whenever I get the chance I will take part in group meditation.

Knowledge is my strength. Persistence is my armor. Skill is my weapon. Success is mine.

I enjoy difficulties. They strengthen my mind just as exercise strengthens my body.

I will always stay away from gossip and hearsay.

I will consider all options before I make a decision. I will face reality in a practical and effective way.

The honest and the industrious are respected in every community. I am honest, I am industrious.

Arrogance brings downfall. I will always be humble and modest.

I always cherish good memories, but I live for today. I am utilizing every moment to create good memories for the future.

Being first in class will help me be first in life. I will be first in my class.

I won't even open, let alone read other people's letters, diaries or SMSs without permission.

In any discussion, I will express my views nicely, concisely and sincerely.

The science of living is the science of all sciences. I am practicing this science.

The journey of a thousand miles starts with a single step. I will start from wherever I am with whatever I have. I will reach my destination.

I will always speak logically. The logic in my statements will convince others quickly.

Knowledge and courage can move mountains. And I have both.

I will speak but avoid being a chatter box.

I respect uniqueness and originality and know that I myself have the power to do something extraordinary. I will be truly unique.

I will discover my talents and nurture them.
I have the courage to nourish my talents.

I will be totally immersed in each activity. Then each new work will become a new world, a new life, a new horizon of joy.

All possibilities reside within me. With blessings from God, my inner strength will turn them into reality.

Consumer loans start a vicious cycle of stress and anxiety.
I will never take loans to buy consumer goods.

My workload is increasing- I am learning to prioritize.

I let the other person finish before I start talking.

There is no fire like lust and no crime like hatred. I will be free of them both. And this is the way of the enlightened.

Everyone wants to be loved; only a blessed few are ready to be selfless in love. I am among the blessed few.

I will think and speak only of constructive matters.
This positive outlook will transform my world completely.

I will give my child an accurate picture of our financial condition from an early age.

Day by day my feelings are becoming kinder, my thoughts purer, my words nicer and my silence deeper.

It is easy to find faults in others but difficult to find one's own. I will do this difficult task.

Charity and forgiveness bring inner peace. I will make these two my lifelong companions.

I am establishing a wonderful rhythm of sleep and wakefulness. I can sleep and awaken at will.

আত্মপরিচয় ...............।

আত্মপরিচয় ...............।

এই যে আমি, কি আমার পরিচয় ? আমার পরিচয়ের ভিত্তিটা কি ? আমার পরিচয়ের ভিত্তি কি ভূমি ? আমার পরিচয়ের ভিত্তি কি ধর্ম ? আমার পরিচয়ের ভিত্তি কি ভাষা ? কিসের উপর ভিত্তি করে আমার পরিচয় সৃষ্টি হবে ? বেঁচে থাকার জন্য একজন মানুষের আত্মপরিচয় খুব বেশী জরুরী দরকার। মানুষ সীমাহীন নয়, তাঁর সীমানা সীমাবদ্ধ, এই সীমাবদ্ধ জীবনের জন্য আত্মপরিচয়ের অবশ্যই দরকার আছে।

পৃথিবীর এই অঞ্চলে জনবসতি গড়ে উঠেছিলো প্রায় ৪ হাজার বছরেরও আগে। ধারণা করা হয় দ্রাবিড় ও তিব্বতীয়-বর্মী জনগোষ্ঠী এই অঞ্চলে সর্ব প্রথম জনবসতি স্থাপন করেছিল। অতীত ইতিহাস থেকে আমরা দেখতে পাই যে, এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষগুলোর আত্মপরিচয় সৃষ্টির ব্যাপারটি বার বার বাধার সম্মূখীন হয়েছে। আর্য, দ্রাবিড়, পাল এবং সেন রাজত্ব কালে এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষদের বর্ণ প্রথায় নিম্ন স্তরের সামাজিক প্রাণীতে পরিণত করেছিল, মানুষ হিসাবে তাঁদের কোন অধিকার ছিল না, তাঁদের ‘ অচ্ছুত ’ বলে ডাকা হতো। মোঘল ও ব্রিটিশ রাজত্ব কালেও ঐ অবস্থার কোন উন্নতি হয়নি।

ভারত উপমহাদেশ কখনোই এক জাতির দেশ ছিল না, এক ভাষার দেশ ছিল না, এক ধর্মের দেশ ছিল না, ভারত ছিল বহু জাতি, বহু ভাষা, বহু ধর্ম, বহু বর্ণের বাসস্থান, সেই অতীত কাল থেকেই আমরা ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষ আত্মপরিচয়ের ব্যাপারে নানা রকম সমস্যার মুখোমুখি হয়েছি এবং এখনও হচ্ছি। ব্রিটিশ আমলে যারা সচেতন ও অগ্রসরমান ব্যাক্তিত্ব ছিলেন তাঁরা নিজেরাই আত্মপরিচয়ের বিষয়ে ছিলেন দ্বিধা বিভক্ত, বাঙালি নাকি ভারতীয় আত্মপরিচয়ের এই বিষয়টির কোনো সুরাহা করতে পারেননি কেউ। কেউ কেউ নিজেকে ভারতীয় হিসাবে পরিচয় দিয়েছেন আবার কেউ কেউ নিজেকে বাঙালী হিসাবে পরিচয় দিতে গর্ভবোধ করেছিলেন।

১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনের দরুন বাঙালী সমাজে প্রচন্ড একটি আলোড়নের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভারতীয় পরিচয়ের তুলনায় বাঙালী পরিচয়টিই সাময়িকভাবে প্রধান হয়ে ওঠে। বাঙালী চেয়েছিল ভূমি আর ভাষার উপর ভিত্তি করেই নিজেদের পরিচয় সৃষ্টি হউক। তখন সবার মূখে মূখে ছিল “ আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি “ যে গানে ভূমির কথা ছিল, ছিল ভাষার কথাও।

কিন্তূ পারলো না, ভাষাভিত্তিক ও ভূমিভিত্তিক আত্মপরিচয়টিকে ক্ষুণ্ণ করতে মধ্যখানে চলে এলো ধর্ম। বঙ্গভঙ্গবিরোধী জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সময় একটা পক্ষ বাঙালী পরিচয়ের সাথে সাথে ধর্মীয় পরিচয়ও উপস্থিত করলো, ফল দাঁড়াল এই যে, যার সূত্রপাত হয়েছিল বাঙালী জাতীয়তাবাদী আন্দোলন হিসেবে, ক্রমান্বয়ে তা রূপ নিল সাম্প্রদায়িক জাতীয়তাবাদের, বাঙালী তার বাঙালী পরিচয় ভুলে ভাগ হয়ে গেল হিন্দু ও মুসলমানে। ভাষা ও ভূমিকে ত্যাগ করে তারা আশ্রয় খোঁজ শুরু করল ধর্মের কাছে।

বাঙালী ইতোমধ্যে ভাগ হয়ে গেছে হিন্দু ও মুসলমানে, এবার তারা সর্বভারতীয় রাজনীতির সঙ্গে মিশে গিয়ে পরিণত হলো ভারতীয় হিন্দু ও ভারতীয় মুসলমানে। অবশ্যই সে তার আত্মপরিচয় ভুলেছিল, বাঙালী থাকেনি, হয়ে গিয়েছিল হিন্দু ও মুসলমান। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে বাঙালী নিজেকেই হারিয়ে ফেলল। স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত পরিণত হয়েছে আত্মঘাতী সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাতে, হিন্দু ও মুসলমানে ভাগ হয়ে তাঁরা দাঙ্গা করেছে এবং ভাষা ও ভূমিকে আশ্রয় হিসেবে রক্ষা করার উদ্যোগ নিয়ে বাঙালী শেষ পর্যন্ত পৌঁছে গেল সম্পূর্ণ বিপরীত প্রান্তে, বাংলাকে দুই প্রদেশ নয়, দুই দেশে ভাগ করে ফেলতে বাধ্য হলো।

১৯৪৬ সালের নির্বাচনে বাংলার মুসলমান সম্প্রদায় নিজেদের বাঙালীত্বকে অবদমিত করে মুসলমানত্বকে প্রধান করে তুলেছিল। তারা রায় দিয়েছিল মুসলমানদের জন্য একটি স্বতন্ত্র বাসভূমি প্রতিষ্ঠার পক্ষে, ভেবেছিল সেই ভূমিতে তাদের মুক্তি আসবে। কিন্তূ নতুন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার শুরুতেই তাদের মোহভঙ্গ ঘটেছে এবং ঘটল সেটা রাষ্ট্রভাষা কি হবে সেই প্রশ্নকে সামনে রেখেই। বুঝতে তাদের খুব বেশী সময় লাগলো না যে, রাষ্ট্রীয় দস্যুরা তাদের ভাষা কেড়ে নেবে এবং পরিণামে তাদের ভূমিও আর নিজেদের থাকবে না। ফলে মুসলমানত্বটা দমে গেল এবং আবার প্রবল হয়ে উঠল বাঙালীত্বের ভাবনা।

১৯০৫ সালে যা সম্ভব হয় নি, ১৯৪৭-এর পর থেকে তা সম্ভব হতে শুরু করল, আন্দোলন এগুলো ধর্মনিরপেক্ষ (অবশ্যই অসাম্প্রদায়িক) জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠার পথ ধরে এবং পূর্ববঙ্গের বাঙালিরা ১৯৭১ সালে ধর্মনিরপেক্ষ, বাঙালী জাতীয়তাবাদের উপর ভিত্তি করেই একটি নতুন দেশ স্বাধীন করলো । আশ্রয় আর আত্মপরিচয়ের প্রশ্নে একটি চীরস্থায়ী সমাধান হলো বলে প্রতীয়মান হওয়ার কথা, কিন্তূ বাস্তবে প্রতীয়মান হলো কি? না হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের পরে পূর্ববঙ্গের মানুষ বিশ্বে একটা সম্মানজনক জায়গা পেয়েছিল। সেটা ক্রমশ ক্ষয় হয়ে গেছে। বাঙালীর জন্য জাতীয় পরিচয় এখন আর সম্মান বয়ে আনে না। বিশ্ব সমাজ বাঙালীকে পদে পদে লাঞ্ছিত, অসম্মানিত ও হতদরিদ্র করছে, তার বিরুদ্ধে বাঙালীর কোনো লড়াই নেই, কারন নিজেরাই ঐক্যবদ্ধ না তাঁদের আবারও দুই দলে বিভক্ত করে রাখা হয়েছে, কারা স্বাধীনতার পক্ষে, আর কারা স্বাধীনতার বিপক্ষে এই কথাটুকু বলে বলেই। এই বিভক্তি বাঙালীকে অনেক দূর পিছনে নিয়ে গেল। স্বাতন্ত্র্য আসে উৎকর্ষে, অনন্যতায় ও অনুপমতায় বৈপরীত্যে ও ভিন্নতায় নয়।

বাঙালীর নিজস্ব সংস্কৃতি স্বাতন্ত্র্যও তার উৎকর্ষে, নতুনত্বে ও অনন্যতায়। আমাদের বড়ই দুর্ভাগ্য ও লজ্জার কথা এই যে, ইংরেজ আমলে ইংরেজি শিক্ষিত অধিকাংশ বাঙালী লেখাপড়া করে কেবল হিন্দু হয়েছে কিংবা মুসলমান হয়েছে, বাঙালী হতে চায়নি কেউই। হিন্দুরা ছিল আর্যগৌরবের ও রাজপুত-মারাঠা বীর্যের মহিমায় মুগ্ধ ও তৃপ্ত এবং মুসলমানরা ছিল দূর অতীতের আরব,ইরানের কৃতিত্ব স্বপ্নে বিভোর। এরা স্বদেশি আর স্বজাতিকে ভুলে ছিল, বিদেশীর জ্ঞাতিত্ব ও গৌরবে ছিল তৃপ্তমনা। এদের কেউই সুস্থ ছিল না। তাই বাঙলা সাহিত্যে আমরা কেবল হিন্দু কিংবা মুসলমানই দেখেছি বাঙালী দেখেছি কদাচিৎ। ফল স্বরূপ বাঙালী সংস্কৃতি আশানুরূপ বিস্তার ও বিকাশ পায়নি।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে ইতিহাসের তাৎপর্যপূর্ণ কিছু ঘটনা প্রবাহের মধ্য দিয়ে। এই ঘটনাগুলো আমাদের নতুন করে স্মরণ করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এগুতে হবে সেই ঘটনা পরম্পরার সঙ্গেই যোগসূত্র রক্ষা করে, তবেই আমরা সৃষ্টি করতে পারবো নিজেদের আত্মপরিচয়। আমাদের স্মরণ রাখা দরকার যে, আশ্রয়ের জায়গাটা হচ্ছে ভূমি এবং ভাষা, দুটোই চাই আত্মপরিচয় সৃষ্টির জন্য, কোনো একটায় নয়। দেশ না থাকলে আমরা বাস্তূহারা, ভাষা না থাকলেও তাই এবং আত্মপরিচয়ের গৌরব-অগৌরবও জড়িত ঐ আশ্রয়স্থলের সঙ্গেই। আশ্রয়ের সম্মানেই আমরা সম্মানিত। আমাদেরই প্রতিবেশী আরাকানী(রোহিঙা) আর তিব্বতীয়ানদের অবস্থা একটু চিন্তা করুন তাঁরা আজ কোন সমস্যায় আছে ?

বাঙালী জাতির রয়েছে গৌরবুজ্জল ইতিহাস। আজ আমরা একটা স্বাধীন দেশের নাগরিক, আমাদের রয়েছে ভূমির স্বাধীনতা, রয়েছে ভাষার স্বাধীনতাও, পৃথিবীতে বর্তমানে মোট ১৫টি ভাষা আন্তর্জাতিক ভাষা হিসাবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত, বাংলা ভাষাও আন্তর্জাতিক ভাষা হিসাবে স্বীকৃতিপ্রাপ্তির অপেক্ষামান তালিকায় আছে, সেজন্যই আমাদের কাঁধে আজ মস্ত বড় একটা দায়িত্ব রয়েছে নিজেদের আশ্রয়কে গৌরবান্বিত করার, দায়িত্বটা কিন্তূ ব্যক্তিগত নয় সমষ্টিগত, তবে ব্যক্তিদেরকে নিয়েই তো সমষ্টি গঠিত। আমাদেরকে ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনের চেতনায় উজ্জিবিত হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ শুরু করতে হবে, তবেই আমরা সৃষ্টি করতে পারবো নিজেদের পরিচয়, বিশ্ব পরিমণ্ডলে উজ্জ্বলভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবো নিজেদের সত্তা ও নিজেদের সংস্কৃতি।

বন্য প্রাণী আর মানুষের মধ্যে পার্থক্য এই যে, বন্য প্রাণী প্রকৃতির অনুগত জীবন ধারণ করে, আর মানুষ নিজেই নিজের জীবন রচনা করে প্রকৃতিকে জয় করে, বশীভূত করে, প্রকৃতির উপর প্রভুত্ব অর্জন করে, সৃষ্টি করে সংস্কৃতি ও সভ্যতা। আমাদের এগিয়ে যেতে হবে মৌলিক পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে কোনো প্রকার সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে নয়।

আজ বাঙালী পায়ের তলায় মাটির সন্ধান খুঁজে পেয়েছে, এই মাটিকেই সে আপন করে নিয়েছে, দেশের মানুষ পরস্পরকেও আপণ করে নিয়েছে, আজ আর কেবল ধর্মীয় পরিচয়ে সে চলে না। বাঙালী নামেই পরিচিতি পেতে সে আজ বড়ই উৎসুক। দুর্যোগের দিন শেষ হয়ে আসছে, প্রভাত হতে খুব বেশী দেরি নাই, সামনে নতুন দিন, নতুন জীবন। নিজেকে যে চেনে অন্যকে জানা বা বোঝা তার পক্ষে সহজ। আজ বাঙালী আত্মস্থ হয়েছে, আত্মজিজ্ঞাসা হয়েছে প্রখর, সংহতি এবং কামনাও বেড়েছে প্রবল। বাঙালীর বীর্য হানাহানির জন্যে নয়, তার প্রয়াস ও লক্ষ্য নিজের মতো করে সাচ্ছন্দ্যে বেঁচে থাকার। স্বকীয় বোধবুদ্ধির প্রয়োগে তত্ত্ব ও তথ্যকে, পরিবেশ-পরিস্থিতিকে নিজের জীবন-জীবিকার অনুকূল ও উপযোগী করে গড়ে তোলার সাধনাতে বাঙালী চিরকালই ছিল স্বচেষ্ট ।

বর্তমান সময়ে আমাদের দেশী মিডিয়া চ্যানেল গুলো সারাদিন কথা কাটাকাটি আর অতি কথক লোকদের টকশো নিয়েই ব্যস্ত । আরে বাবা কথা বলে দেশ পরিবর্তন করা যাবে না । লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ অপেক্ষা করে আছে, তাঁরা একটা ডাক শুনতে চায়, আত্মপরিচয় সৃষ্টির ডাক, মানুষ শুনতে চায় বিকল্প নেতৃত্বের ডাক, সেই বিকল্প নেতৃত্বের উৎস হবে অবশ্যই চেতনা নির্ভর, থাকবে আদর্শ । সত্যিকার চেতনা অর্জনে আমাদেরকে মোকাবেলা করতে হবে অনেক বড় চ্যালেঞ্জের, এই চেতনাকে ধারণ করে তবেই সকল মানুষের ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এর জন্যে প্রয়োজন অব্যাহত কর্মের । হঠাৎ জেগেওঠা নয়, কর্মের একটা অব্যাহত ধারা বজায় রাখা চাই। পরিবর্তন এই ধারার মধ্যে থেকেই আসবে।

আমরা যাঁরা স্বপ্ন দেখি ২০২৫ সালে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের সেরা দশ জাতির এক জাতি। তাঁদের প্রয়োজন এখনই আত্মসচেতন হওয়ার। আচার-আচরণে, মনে-মননে, কথায়-কাজে অপরের পক্ষে স্মরণীয়, বরণীয়, অনুকরণীয়, অনুসরণীয় ও আকর্ষণীয় ব্যাক্তিত্ব সৃষ্টি করে নিজেদের পরিণত করতে হবে লাখো মানুষের ভরসা স্থলে। চলনে-বলনে, মনে-মেজাজে, কথায়-কাজে, ভাবে-ভাবনায়, আচারে-আচরণে অনবরত সুন্দরের অনুশীলন ও অভিব্যক্তিই হলো দ্বায়িত্বশীলতার পরিচয়। একজন দ্বায়িত্বশীল ব্যক্তিমাত্রেই কেবল নিজের প্রতি নয় সমাজ ও দেশের প্রতিও নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্য স্বীকার করে নেন। অতি দ্রুত সময়ে দেশপ্রেম, দৃঢ়তা, সততা নিয়ে সবাইকে একযোগে কাজ শুরু করতে হবে, এর কোনই বিকল্প নাই। এখনই সময় সবাইকে এগিয়ে আসার। দেশের মানুষকে কেবল বুদ্ধি দিয়ে পরিচালিত করলে চলবে না। মানুষের হৃদয় আজ অন্ধকারাচ্ছন্ন, আছে অন্ধ আবেগ, আছে বিশৃঙ্খলা । সেই হৃদয়কে করতে হবে আলোকিত। প্রয়োজন শুধুই সঠিক নেতৃত্বের।

আজ আমাদের সামনে রয়েছেন একজন আলোকিত মানুষ, আছে সত্যবাদিতার চেতনা, আছে অনন্য মানুষের আদর্শ । তাঁরই নেতৃত্বে আমাদের সামনের দিকেই এগিয়ে যেতে হবে, তবেই সৃষ্টি করতে পারবো নিজেদের আত্মপরিচয়, বিশ্ব পরিমণ্ডলে আবারও মাথা উঁচু করে বলতে পারবো আমিও একজন বাঙালী, আমিও একজন কোয়ান্টিয়ার। এই প্রত্যাশায়........................।

Warning: Do not remove form Invisible region.

by Tazim.